loading...









loading...

Royalbangla
ডাঃ গুলজার হোসেন
ডাঃ গুলজার হোসেন

আসুন থ্যালাসেমিয়াকে জানি

টিপস

আমাদের রক্ত কেন লাল? কারণ, আমাদের রক্তে লোহিত রক্তকণিকা থাকে। এখানে হিমোগ্লোবিন নামে বিশেষ ধরনের রঞ্জক পদার্থও থাকে। এই হিমোগ্লোবিনের কাজ কী? হিমোগ্লোবিনের কাজ হলো শরীরের বিভিন্ন অংশে অক্সিজেন সরবরাহ করা।থ্যালাসেমিয়া বলে এক ধরনের বংশগত রোগ আছে। এটি শরীরে বিশেষ ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লেবিন তৈরি করে। স্বাভাবিক লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল ১২০ দিন।

ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিনের কারণে অথবা বলা যায় হিমোগ্লোবিন ঠিকমতো তৈরি না হওয়ায় লোহিত কণিকার আয়ুষ্কাল কমে যায় এবং লোহিত কণিকাগুলো সহজেই ভেঙে যায়। এ অবস্থায় অস্থিমজ্জার পক্ষে একই হারে লোহিত কণিকা তৈরি সম্ভব হয়ে ওঠে না। এতে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। সেখান থেকে দেখা দেয় নানা রকম উপসর্গ। এই হলো থ্যালাসেমিয়া।

থ্যালাসেমিয়া অনেক রকমের আছে। ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিনেরও রকমফের আছে। তবে মোটামুটিভাবে বলা যায়, থ্যালাসেমিয়া প্রধাণত দুই প্রকার—আলফা থ্যালাসেমিয়া ও বিটা থ্যালাসেমিয়া।

বিশ্বে বিটা থ্যালাসেমিয়ার চেয়ে আলফা থ্যালাসেমিয়ার প্রাদুর্ভাব বেশি। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে আলফা থ্যালাসেমিয়া তীব্র হয় না। অনেক ক্ষেত্রে এর উপসর্গও বোঝা যায় না, রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করে।

বিটা থ্যালাসেমিয়া দুই রকমের হতে পারে। একটি বিটা থ্যালাসেমিয়া মাইনর। এদের থ্যালসেমিয়া ট্রেইট বা ক্যারিয়ার বলে। অপরটি থ্যালাসেমিয়া মেজর।

থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট আর থ্যালাসেমিয়া এক নয়। কারণ, এরা মূলত রোগটির বাহক। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে এদের শরীরে থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ প্রকাশ পায় না। অনেকে হয়তো অজান্তেই সারাজীবন এই রোগ বহন করে চলে। অল্প কিছু ক্ষেত্রে মৃদু রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়।বাবা ও মা উভয়ে থ্যালাসেমিয়া ট্রেইট হলে ভূমিষ্ঠ শিশুর শতকরা ২৫ ভাগ থ্যালাসেমিয়া রোগে আক্রান্ত হয়।

উপসর্গ

থ্যালাসেমিয়ার উপসর্গগুলো মূলত রক্তস্বল্পতার কারণে সৃষ্ট উপসর্গ। অর্থাৎ ক্লান্তি, অবসাদগ্রস্ততা, শ্বাসকষ্ট, ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া এসব। রক্ত অধিক হারে ভেঙে যায় বলে জন্ডিস হয়ে ত্বক হলদে হয়ে যায়। প্রস্রাবও হলুদ হতে পারে। প্লীহা বড় হয়ে যায়। যকৃতও বড় হয়ে যেতে পারে। অস্থি পাতলা হয়ে যেতে থাকে। চেহারার বিশেষ পরিবর্তন হয়। নাকের হাড় দেবে যায়। মুখের গড়ন হয় চীনাদের মতো। একে বলে 'মংগোলয়েড ফেইস '। আস্তে আস্তে দেখা দেয় বিশেষ কিছু জটিলতা।

রোগীকে ঘনঘন রক্ত দিতে হয় বলে শরীরে আয়রনের মাত্রা বাড়তে থাকে। এই আয়রন জমা হয় হৃৎপিণ্ডে, যকৃতে, অগ্ন্যাশয়ে। এই পর্যায়টি মারাত্মক। দেখা যায়, অতিরিক্ত আয়রন জমে যাওয়ার কারেণে অঙ্গগুলো বিকল হতে শুরু করে। এ রকম পরিস্থিতিতে সঠিক চিকিৎসা না পেলে রোগী মারা যেতে পারে। বারবার রক্ত পরিসঞ্চালনের কারণে রোগীরা সহজেই রক্তবাহিত সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়ে।

পরীক্ষা-নিরীক্ষা

থ্যালাসেমিয়া শনাক্ত করার উপায় হলো রক্তের হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফরেসিস পরীক্ষা। রক্তের রুটিন পরীক্ষা করলে রক্তস্বল্পতার মাত্রা বোঝা যায়। এ ছাড়া এই রোগে লোহিত কণিকার আকার ছোট হয়ে যায়। রুটিন পরীক্ষায় সেটাও বোঝা যায়। এতে প্রাথমিক সন্দেহটা এখান থেকেও আসতে পারে। এ ছাড়া ডিএনএ পরীক্ষা করেও এই রোগ ধরা যায়। মাথার এক্স-রে, পেটের আলট্রাসনোগ্রাম এগুলোও আছে।

চিকিৎসা

রক্ত পরিসঞ্চালনই থ্যালাসেমিয়ার মূল চিকিৎসা। আয়রন বেড়ে গেলে ওষুধের মাধ্যমে তা কমাতে হবে। আয়রন সমৃদ্ধ খাবার বা আয়রনের ওষুধ খাওয়া একদম নিষেধ। প্লীহা বড় হয়ে গেলে অপারেশন করে সেটা ছোট করে দিতে হয়। এতে রক্ত গ্রহণের হার কিছুটা কমে আসে। মূলত অস্থিমজ্জা প্রতিস্থাপন হলো এর স্থায়ী চিকিৎসা। এটা খুবই ব্যয়বহুল।

পরিসংখ্যান

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, সারা বিশ্বে প্রায় ১০ কোটির বেশি লোক বিভিন্ন ধরনের বিটা থ্যালাসেমিয়ার জিন বহন করে। প্রতিবছর প্রায় এক লাখ শিশুর জন্ম হচ্ছে জটিল থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে।বাংলাদেশে থ্যালাসেমিয়া রোগীদের সঠিক পরিসংখ্যান নেই। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাবমতে, বাংলাদেশে ৪৮ লাখ মানুষ থ্যালাসেমিয়ার জিন বহন করছে। ৩ শতাংশ লোক বিটা থ্যালাসেমিয়ার বাহক, ৪ শতাংশ অন্যান্য ত্রুটিপূর্ণ হিমোগ্লোবিন রোগের বাহক। প্রতিবছর ছয় হাজার শিশু বিভিন্ন রকমের থ্যালাসেমিয়া রোগ নিয়ে জন্মগ্রহণ করছে।

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে সচেতনতা খুব জরুরি। বিয়ের আগে রক্ত পরীক্ষা করে থ্যালাসেমিয়া অনেকখানি কমানো যেতে পারে। দুজন ক্যারিয়ারের মধ্যে যেন বিয়ে না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে পারলে থ্যালাসেমিয়া কমানো সম্ভব। আত্মীয়র মধ্যে বিয়ে করা যাবে না। ঝুঁকিপূর্ণ ক্ষেত্রে বাচ্চা পেটে আসার পর চিকিৎসকের পরামর্শে বিশেষ উপায়ে গর্ভস্থ শিশুর থ্যালাসেমিয়া পরীক্ষা করতে হবে। রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যাবরশন করা যেতে পারে। পৃথিবীর অনেক দেশে এ উপায়ে থ্যালাসেমিয়ার প্রকোপ কমানো গেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা আশঙ্কা করছে, আগামী ৫০ বছরে থ্যালাসেমিয়া পৃথিবীজুড়ে একটি বড় রকমের সমস্যা হয়ে দেখা দেবে। এটি রোধে ব্যাপক সচেতনতা দরকার। সরকারি, ব্যক্তিগত, সামাজিক, গণমাধ্যম সব দিক থেকেই এই সচেতনতা তৈরিতে কাজ করতে হবে। তবেই থ্যালাসেমিয়া নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে।

এই লেখকের সব লেখা পড়ুন নিচের লিংক থেকে।
www.royalbangla.com/gulzarhematologist

লেখক

ডাঃ গুলজার হোসেন
বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল
চেম্বারঃ
বি আর বি হাসপাতাল পান্থপথ, ঢাকা।
লেখকের সাথে যোগাযোগ করতে নিচের ফেসবুক পেইজে ক্লিক করুন
www.facebook.com/gulzarhematologist

  1. royalbangla.com এ আপনার লেখা বা মতামত বা পরামর্শ পাঠাতে পারেন এই এ‌্যড্রেসে [email protected]
পরবর্তী পোস্ট

একজন সিনিয়র প্রফেসর ডাক্তারের চেম্বারটি হতে পারে একটি ছোটখাট ইন্সিটিটিউশন


আপনি কি নিজের অজান্তে আয়রন এর অভাবে ভুগছেন ?

পুষ্টিবিদ জয়তী মুখার্জী
থ‌্যালাসেমিয়া কি ? কেন হয় ?

ডাঃ সাঈদ সুজন
রক্ত কখন কেন কিভাবে দিবেন?

ডাঃ সাঈদ সুজন
রক্তদানের ১০টি উপকারিতা যা জানলে আপনি অবাক হবেন

ডা ফাতেমা জোহরা
রক্তশূণ্যতা কী? কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার।

ডাঃ গুলজার হোসেন
প্রসংগ:ব্লাড ক্যান্সার-প্রাথমিক ধারনা ও করণীয়

ডাঃ গুলজার হোসেন
রক্তদান ও রক্তপরিসঞ্চালন নিয়ে কিছু কথা

ডাঃ গুলজার হোসেন
ডেংগি ও প্লেইটলেট(ডেংগু নিয়ে কিছু ভ্রান্ত আতঙ্ক)

ডাঃ গুলজার হোসেন
আসুন থ্যালাসেমিয়াকে জানি

ডাঃ গুলজার হোসেন
বাবার জন্য সন্তানের রক্ত কতটুকু নিরাপদ?

ডাঃ গুলজার হোসেন,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল
রক্তের অসুখ পলিসাইথেমিয়া

ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
হিমোফিলিয়া: রক্ত জমাট বাঁধা জনিত রোগ

ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
লিম্ফোমাঃ রক্তের বিশেষ একপ্রকারের ক্যান্সার

ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
সিএমএল বা ক্রনিক মায়েলয়েড লিউকেমিয়া কি? করণীয় কি?

ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
সুপারবাগ: মানবজাতির জন্য কতটা ভয়ংকর?

ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
শালগমের উপকারীতা।

পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন,পুষ্টি কর্মকর্তা
ডালিম বা বেদানায় কতখানি আয়রন?

ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
সাধারণ মুলার অসাধারণ গুনাবলী

পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন,পুষ্টি কর্মকর্তা
রান্নায় কেন তেল কম খাবেন...

পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন,পুষ্টি কর্মকর্তা
কি কি খেলে রক্ত বাড়ে?

ডাঃ গুলজার হোসেন,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট

রক্তশূণ্যতা কী? কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার।

ডাঃ গুলজার হোসেন
রক্তের প্রধান দুটি উপাদান হলো রক্তকোষ ও রক্তরস। লোহিত রক্তকণিকায় থাকে হিমোগ্লোবিন নামের রঞ্জক পদার্থ, যা দেহের বিভিন্ন কোষে অক্সিজেন সরবরাহ করে।তাই হিমোগ্লোবিন কমে গেলে সারা শরীরে দেখা দেয় বিরূপ প্রতিক্রিয়া। আর রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার নাম হলো অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা।......
বিস্তারিত

মাইগ্রেন থেকে দূরে থাকবেন কিভাবে?

নুসরাত জাহান, ডায়েট কনসালটেন্ট
মাইগ্রেন এক বিশেষ ধরনের মাথাব্যথা। মাথার যে কোনও এক পাশ থেকে শুরু হয়ে তা মারাত্মক কষ্টকর হয়ে ওঠে। তাই একে ‘আধ-কপালি ’ ব্যথাও বলা হয়ে থাকে। মাইগ্রেনের যন্ত্রণা অত্যন্ত কষ্টদায়ক এবং দীর্ঘস্থায়ী। যাঁদের মাইগ্রেনের সমস্যা রয়েছে, তীব্র মাথা যন্ত্রণার পাশাপাশি তাঁদের বমি বমি ভাব, শরীরে এবং মুখে অস্বস্তিভাব দেখা দিতে পারে। .........
বিস্তারিত

ফিটাল গ্রোথ স্ক্যান (Fetal Growth Scan) কি, কখন এবং কেন করা প্রয়োজন।

ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা),Consultant Sonologist
ফিটাল গ্রোথ স্ক্যান হ'ল এক প্রকার আল্ট্রাসাউন্ড স্ক্যান যা গর্ভধারণের ২৪ সপ্তাহের পর হতে প্রসবের পূর্ব পর্যন্ত যে কোন সময় শিশুর বৃদ্ধি ও সুস্থতা নির্ধারণ করতে করা হয়ে থাকে। এটি এক বা একাধিক বার করা যেতে পারে (প্রয়োজন অনুসারে)।...........
বিস্তারিত

আপনি জানেন কি? শারীরিক পরিশ্রমে, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে?

ডা. মোহাম্মদ মাসুমুল হক,আবাসিক চিকিৎসক, ক্যান্সার সোসাইটি হাসপাতাল এন্ড ওয়েলফেয়ার হোম
প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৩০-৬০ মিনিট করে, সপ্তাহে ০৫ দিন (মোট ১৫০-৩০০ মিনিট) এমন কিছু কায়িক পরিশ্রম, যাতে হৃদ স্পন্দন বৃদ্ধি পায় ও ঘাম হয়। .........
বিস্তারিত

কেন 'টেস্ট' দেন চিকিৎসক?

Dr.Afjal Hossain
চিকিৎসা নিতে গেলে প্রায়ই চিকিৎসকেরা আমাদের নানা শারীরিক পরীক্ষা (টেস্ট) করতে দেন। আমরা বুঝি না কেন এসব পরীক্ষা করা হচ্ছে? রোগের চিকিৎসায় এটি কতটা কাজে লাগবে?........
বিস্তারিত

একজন অন্তর্মুখী মানুষকে চিনবো কিভাবে?

ডা. মুহম্মদ মুহিদুল ইসলাম,সায়েন্টিফিক অফিসার
এঁদের পছন্দকারী মানুষের সংখ্যা অনেক সময় তুলনামূলকভাবে কম হয়। অন্তর্মুখী স্বভাবের জন্য অনেকেই অহংকারী ভেবে বসতে পারে।.......
বিস্তারিত

ফিটাল পাইলেক্টেসিস এবং হাইড্রোনেফ্রোসিস (Fetal Pyelectasis & hydronephrosis)

ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা),Consultant Sonologist
বুঝার জন্য, প্রথমে মূত্রতন্ত্র কিভাবে কাজ করে তা বুঝা দরকার। সহজ কথায় বলা যায়, কিডনি রক্ত ফিল্টার করে শরীর থেকে বর্জ্য পদার্থ অপসারণ করে যা প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। কিডনি থেকে প্রস্রাব কিডনির পেলভিসে জমা হয়,.......
বিস্তারিত

ক্যান্সার চিকিৎসার সময় কি কি লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিবেন??

DR. MOHAMMAD MASUMUL HAQUE,Cancer Prevention Physician
ক্যান্সার চিকিৎসা একটি দীর্ঘ মেয়াদি চিকিৎসা। এবং এই চিকিৎসার যেহেতু কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া রয়েছে তাই এই চিকিৎসা চলাকালীন একজন ব্যক্তির কিছু শারীরিক সমস্যা বা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।......
বিস্তারিত

IBS (Irritable Bowel Syndrome) ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম বা বদহজমের সমস্যায় কী করণীয়?

ডা. মুহম্মদ মুহিদুল ইসলাম,সায়েন্টিফিক অফিসার
বৃহদান্ত্রের খুব কমন সমস্যা হচ্ছে IBS । আমাদের পরিচিত অনেকেই হয়ত IBS এ আক্রান্ত।এ রোগটা কিছুটা অস্বস্তিকর। মাঝে মাঝে কিছু খেলেই এমনকি মানসিক চাপে থাকলেও এই রোগের লক্ষন বেড়ে যায়।বারবার বাথরুমে ছোটাছুটি করা লাগে।........
বিস্তারিত

বাচ্চাদের খাবারে কিছু কমন রুলস আমাদের কে মেনে চলতে হবে.........

নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী,Bsc (Hon's) Msc (food & Nutrition)
১. খাবারে বৈচিত্র্য রাখা! ২. বাচ্চাকে ঘরোয়া খাবারে অভ্যস্ত করা.....
বিস্তারিত

ইতিবাচক বিবৃতি

জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
নিজের স্বাস্থ্যকর ইমেজ নির্মাণ করার জন্য, অনেক মনোবিজ্ঞানী ইতিবাচক বিবৃতি ব্যবহার করা সহায়ক বলে মনে করেন। এই বিবৃতিগুলির উদ্দেশ্য হল আপনার মধ্যে থাকা ভাল গুণাবলীর কথা মনে করিয়ে দেওয়া এবং কষ্টকর পরিস্থিতিতে আপনাকে শক্তি, সাহস এবং স্থিতিস্থাপকতা দেবে। .......
বিস্তারিত

অলিগোহাইড্রামনিওস (Oligohydramnios) (এমনায়োটিক তরলের স্বল্পতা)

ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা),Consultant Sonologist
অলিগোহাইড্রামনিওস হল একটি বিশেষ কন্ডিশন যেখানে গর্ভাবস্থায় আপনার বেবির চার দিকে থাকা অ্যামনিয়োটিক তরলের পরিমাণ অনেক কমে যায়, এতে মা ও শিশু উভয়ে বিভিন্ন জটিলতার সম্মুখীন হওয়ায় সম্ভাবনা থাকে।......
বিস্তারিত

মহিলাদের ইনফার্টিলিটি দূর করার ক্ষেত্রে ডিম্বাণুর গুণাগুণ কেন গুরুত্বপূর্ণ?


ডাঃ হাসনা হোসেন আখী,এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএস (অবস এন্ড গাইনী)

ব্রেস্ট ফিডিং মায়েদের ডায়েট কেমন হওয়া উচিত?


নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী,Bsc (Hon's) Msc (food & Nutrition)

লিম্ফোমাঃ রক্তের বিশেষ একপ্রকারের ক্যান্সার


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট

ব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকতে ছোট ছোট পরিবর্তন আনুন


পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু

ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে যে পদক্ষেপটি সবার জন্য জরুরি


ডাঃ লায়লা শিরিন

কেন হাঁটবেন? কিভাবে হাঁটবেন ? কতটুকু হাঁটবেন?


ডা: অনির্বাণ মোদক পূজন।হৃদরোগ, বাতজ্বর ও উচ্চ রক্তচাপ রোগ বিশেষজ্ঞ

রুট ক্যানাল ( দাতেঁর ব্যথার) চিকিৎসা কি? কখন করাতে হয়?


ডা: এস.এম.ছাদিক,বি ডি এস (ডি ইউ),এম পি এইচ (অন কোর্স)

প্রেগ্ন্যান্সিতে 3D/4D আল্ট্রাসনোগ্রাম কখন কেন করাবেন।


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা) ,,Consultant Sonologist

সম্পর্কের ক্ষেত্রে যৌনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণতা


ডা. ফাতেমা জোহরা

সত্যিই কি প্লাস্টিকের ডিম আর চালের অস্তিত্ব আছে?


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন।

ডেংগি ও প্লেইটলেট(ডেংগু নিয়ে কিছু ভ্রান্ত আতঙ্ক)


ডাঃ গুলজার হোসেন

দাঁতের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ৮ টি টিপস


ডাঃ তারিকুল সরকার (তারেক)

মনের যত্ন


জিয়ানুর কবির

করোনায় ফুসফুস কে ভালো রাখবেন কি করে?


পুষ্টিবিদ জয়তী মুখার্জী

ত্বকের উজ্জ্বলতায় কিশমিশ


পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু

মূত্রতন্ত্রের পাথর (urinary stone) (উপসর্গ, চিকিৎসা ও প্রতিকার)


ডাঃ মোহাম্মদ ইব্রাহিম আলী

শিশুদের জন্য ব্যায়াম কখন প্রয়োজন?


নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী

অফিসে পৌঁছে ক্ষুধা পেলে কি খাবো ?


পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু

গর্ভবতী মহিলা কি কোভিড টীকা নিতে পারবেন ?


ডাঃ হাসনা হোসেন আখী,এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএস (অবস এন্ড গাইনী)

সম্পর্কের ক্ষেত্রে যৌনস্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণতা


ডা. ফাতেমা জোহরা

সত্যিই কি প্লাস্টিকের ডিম আর চালের অস্তিত্ব আছে?


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন।

ডেংগি ও প্লেইটলেট(ডেংগু নিয়ে কিছু ভ্রান্ত আতঙ্ক)


ডাঃ গুলজার হোসেন

দাঁতের যত্নে গুরুত্বপূর্ণ ৮ টি টিপস


ডাঃ তারিকুল সরকার (তারেক)

মনের যত্ন


জিয়ানুর কবির