Royalbangla
ডা ফাতেমা জোহরা
ডা ফাতেমা জোহরা

রক্তদানের ১০টি উপকারিতা যা জানলে আপনি অবাক হবেন

রক্তদান


  1. কখনও ভেবে দেখেছেন কি, আপনার দান করা একব্যাগ অর্থাৎ মাত্র ৩৩০-৪৫০ মিলি রক্ত একজন মানুষের জীবন রক্ষা করতে পারে! বর্তমানে বাংলাদেশে প্রতি বছর ৪ লাখ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয় এবং এই রক্তের একটা বড় অংশই আসে পেশাদার রক্ত বিক্রেতার কাছ থেকে। উল্লেখ যে পেশাদার বিক্রেতাদের রক্তকে দূষিত রক্ত হিসেবেই চিহ্নিত করা হয়। কেননা এদের পেশাদার বিক্রেতাদের মাঝে একটা বড় অংশ আছে যারা কিনা বিভিন্ন রকম নেশায় কিংবা রগে আক্রান্ত। অনেক সময়েই নিরুপায় হয়ে এই দূষিত রক্ত গ্রহণ করে জটিল রোগে আক্রান্ত হন অনেক মানুষ, এমনকি মৃত্যুবরণও করে থাকেন। সুতরাং বুঝতেই পারছেন যে কেনা রক্ত কোনও ভাবেই নিরাপদ নয়। তাই আপনি যদি নীরোগ ও সুস্থ হয়ে থাকেন, তাহলে অতি অবশ্যই আপন বা পরিচিত জনদের প্রয়োজনের সময় রক্তদানে এগিয়ে আসুন। শুধু তাই নয়, মানবতার সেবায় এগিয়ে আসতে চাইলে দান করতে পারেন বিভিন্ন সংস্থাতেও কিংবা কারো প্রয়োজনে । একজন সুস্থ ও নীরোগ মানুষ প্রতি ৩ মাস অন্তর অন্তর রক্ত দান করতে পারেন। এতে শরীরের কোনও ক্ষতি তো হয়ই না, বরং আপনার স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী এই রক্তদান। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, সুস্বাস্থ্যের অধিকারী সব মানুষই স্বেচ্ছায় রক্তদান করতে পারবেন।যদি আপনি--
  2. এক
    আপনি সুস্থ ও সবল হন
  3. দুই
    আপনার ওজন ৫০-১৬০ কেজি হয়
  4. তিন
    আপনার বয়স ১৮ থেকে ৬৬ বছর হয়
  5. চার
    অন্তঃসত্ত্বা বা সন্তানকে স্তন্যদান না করেন
  6. পাঁচ
    এইচআইভি সংক্রমণ না থাকে
  7. ছয়
    গত ১২ মাসে আপনি কোন ঝুঁকিপূর্ণ কাজ না করে থাকেন
    তাহলে স্বেচ্ছায় রক্তদানকারীর তালিকায় আপনার নামও উঠতে পারে।রক্তদান করলে কেউ মারা যায় না। দেহের ওজনের বিবেচনায় একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দেহে গড়পড়তা পাঁচ লিটার রক্ত থাকে। প্রতিবার রক্তদানের সেশনে ৫০০ মিলিলিটার করে রক্ত নেয়া হয়।আপনি যদি অ্যান্টিবায়োটিক নিয়ে থাকেন তবে কোর্স শেষ হওয়ার সাত দিন পর আপনি রক্ত দিতে পারবেন।
    অসুস্থ, অন্তঃসত্ত্বা, শিশু কিংবা বয়োবৃদ্ধ হলে রক্ত দিতে পারবেন না।রক্তদানের জন্য নূন্যতম বয়স হচ্ছে ১৬ বছর। বেশিরভাগ দেশে এই বয়সী তরুণদের রক্তদানেরক্ষেত্রে অভিভাবকের সম্মতি লাগে। রক্ত দেয়ার সময় এই বয়সী তরুণদের জ্ঞান হারানোর ঝুঁকিও বেশি থাকে।নিয়মিত রক্তদানকারীদের কোন সর্বোচ্চ বয়স সীমা নেই। কোন কোন দেশে এটা ৬০-৭০ বছর। আপনি যদি অন্তঃসত্ত্বা কিংবা প্রসূতি হন, শিশুকে স্তন্যদান করেন, কিংবা আপনার যদি অ্যাবোরশন হয়ে থাকে, তাহলে রক্তে আয়রনের মাত্রা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে রক্তদানের জন্য অপেক্ষা করতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, ঝুঁকিপূর্ণ যৌনাচার, যেমন বহুগামিতা, অর্থের বিনিময়ে যৌনসংগম, পুরুষ সমকামিতা ইত্যাদি রক্তদানে সমস্যা তৈরি করতে পারে। এক্ষেত্রে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার পরই রক্তদানের অনুমতি দেয়া হয়। ইনজেকশনের মাধ্যমে যারা নেশা করেন তারাও রক্ত দিতে পারবেন না।মশা-বাহিত ম্যালেরিয়া, ডেঙ্গু এবং যিকা ভাইরাসের প্রকোপ রয়েছে যেসব দেশে সেখান থেকে আসা কারও দেহ থেকে রক্ত নেয়ার ক্ষেত্রে বিধিনিষেধ রয়েছে। ঠান্ডা, সর্দিজ্বর, খুশখুশে কাশি, পেট খারাপ থাকলেও রক্তদান করতে পারবেন না।যে কোন অসুখ থেকে সম্পূর্ণভাবে সেরে ওঠার ১৪ দিন পর আপনাকে রক্তদান করতে দেয়া হবে।
    রক্তদানের উকরিতাঃ

  8. রক্তদান স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী। কেননা রক্তদান করার সঙ্গে সঙ্গে আপনার শরীরের মধ্যে অবস্থিত বোন ম্যারো নতুন কণিকা তৈরির জন্য উদ্দীপ্ত হয়। রক্তদানের ২ সপ্তাহের মধ্যে নতুন রক্তকণিকা জন্ম হয়ে ঘাটতি পূরণ হয়ে যায়। আর বছরে ৩ বার রক্তদান আপনার শরীরে লোহিত কণিকাগুলোর প্রাণবন্ততা বাড়িয়ে তোলে ও নতুন কণিকা তৈরির হার বাড়িয়ে দেয়।

  9. নিয়মিত রক্তদানকারীর হৃদরোগ ও হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কম অনেকটাই

  10. নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানের মাধ্যমে বিনা খরচে জানা যায় নিজের শরীরে বড় কোনো রোগ আছে কিনা। যেমন : হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, সিফিলিস, এইচআইভি (এইডস) ইত্যাদি।

  11. সম্প্রতি ইংল্যান্ডের এক গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত স্বেচ্ছায় রক্তদানকারী জটিল বা দুরারোগ্য রোগ-ব্যাধি থেকে মুক্ত থাকেন অনেকাংশে। যেমন, নিয়মিত রক্তদান ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক।

  12. রক্তে কোলেসটোরলের উপস্থিতি কমাতে সাহায্য করে নিয়মিত রক্তদান।

  13. রক্তদান ধর্মীয় দিক থেকে অত্যন্ত পুণ্যের বা সওয়াবের কাজ। একজন মানুষের জীবন বাঁচানো সমগ্র মানব জাতির জীবন বাঁচানোর মতো মহান কাজ। আমাদের সকলের ধর্মই আমাদের এই শিক্ষা দিয়ে থাকে।

  14. রক্তদানে আপনার নিজের অর্থ সাশ্রয়-ও হয়। রক্তদান কেন্দ্রের মাধ্যমে রক্ত দিলে পাঁচটি পরীক্ষা সম্পূর্ণ বিনা খরচে করে দেয়া হয় যা বাইরে করলে খরচ লাগবে প্রায় তিন হাজার টাকার মতো। সেগুলো হলো-এইচআইভি/এইডস, হেপাটাইটিস-বি, হেপাটাইটিস-সি, ম্যালেরিয়া ও সিফিলিস। তাছাড়া রক্তের গ্রুপও নির্ণয় করা হয়।

  15. নিয়মিত রক্তদান Hemochromatosis প্রতিরোধ করে। শরীরে অতিরিক্ত আয়রনের উপস্থিতিকে Hemochromatosis বলে।

  16. স্থূল দেহী মানুষদের ক্ষেত্রেও রক্তদান অত্যন্ত সহায়ক ভূমিকা পালন করে ওজন কমাতে।

  17. মুমূর্ষু মানুষকে রক্তদান করে আপনি পাচ্ছেন মানসিক তৃপ্তি। কারণ, এত বড় দান যা আর কোনোভাবেই সম্ভব নয়।
    ডাঃ ফাতেমা জোহরা
    MBBS(DU), MD Psychiatry (BSMMU), FMD(USTC), DHMS(BD)
    মনোরোগ, যৌনরোগ ও মাদকাসক্তি নিরাময় বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক মানসিক রোগ বিভাগ
    ব্রাহ্মণবাড়িয়া মেডিকেল কলেজ
  1. royalbangla.com এ আপনার লেখা বা মতামত বা পরামর্শ পাঠাতে পারেন এই এ‌্যড্রেসে royal_bangla@yahoo.com
পরবর্তী পোস্ট

খিচুড়ী কি আসলেই পুষ্টিকর খাবার??


.

আপনি কি নিজের অজান্তে আয়রন এর অভাবে ভুগছেন ?


পুষ্টিবিদ জয়তী মুখার্জী
.

থ‌্যালাসেমিয়া কি ? কেন হয় ?


ডাঃ সাঈদ সুজন
.

রক্ত কখন কেন কিভাবে দিবেন?


ডাঃ সাঈদ সুজন
.

রক্তদানের ১০টি উপকারিতা যা জানলে আপনি অবাক হবেন


ডা ফাতেমা জোহরা
.

রক্তশূণ্যতা কী? কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার।


ডাঃ গুলজার হোসেন
.

প্রসংগ:ব্লাড ক্যান্সার-প্রাথমিক ধারনা ও করণীয়


ডাঃ গুলজার হোসেন
.

রক্তদান ও রক্তপরিসঞ্চালন নিয়ে কিছু কথা


ডাঃ গুলজার হোসেন
.

ডেংগি ও প্লেইটলেট(ডেংগু নিয়ে কিছু ভ্রান্ত আতঙ্ক)


ডাঃ গুলজার হোসেন
.

আসুন থ্যালাসেমিয়াকে জানি


ডাঃ গুলজার হোসেন
.

বাবার জন্য সন্তানের রক্ত কতটুকু নিরাপদ?


ডাঃ গুলজার হোসেন,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল
.

রক্তের অসুখ পলিসাইথেমিয়া


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
.

হিমোফিলিয়া: রক্ত জমাট বাঁধা জনিত রোগ


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
.

লিম্ফোমাঃ রক্তের বিশেষ একপ্রকারের ক্যান্সার


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
.

সিএমএল বা ক্রনিক মায়েলয়েড লিউকেমিয়া কি? করণীয় কি?


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট
.

সুপারবাগ: মানবজাতির জন্য কতটা ভয়ংকর?


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট

মাড়ির পাথর, প্রদাহ এবং মাড়ি থেকে রক্ত পড়া।

ডা: এস.এম.ছাদিক,ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী
অফিস, বাসা সব সামলে নিজের জন্য ভাবার, সময় দেয়ার সময় হয়ে ওঠে না। দাঁত ও মুখের যত্ন বলতে দিনে দুইবার ব্রাশ করা তাও প্রায়ই রাতের ব্রাশ মিস হয়ে যায়। দাঁতগুলো ইদানিং একটু কালচে কালচে লাগে তার পরও সমস্যা তো হচ্ছে না,...
বিস্তারিত

পজিটিভ ব্যক্তিত্ব

জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
একজন পজিটিভ মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তি শারীরিক ও মানসিকভাবে স্বাস্থ্যবান থাকেন। অন্যান্ন ব্যক্তির নিকট এসব ব্যক্তির গ্রহণ যোগ্যতা অনেক বেশি। কতগুলো গুনাবলি চর্চা করতে পারলে আপনিও পজিটিভ মানসিকতা সম্পন্ন ব্যক্তি হতে পারেন।....
বিস্তারিত

এবফ্রাকসান কী ??

ডা: এস.এম.ছাদিক,ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী
আপনার মাড়ির মধ্যে খাবার জমে থাকে বা আপনি যখন হাসি দেন অথবা আপনি আপনার জিহবা দিয়ে নাড়াচড়া করলে অনুভব করতে পারেন।....
বিস্তারিত

ব্র‍্যাক্সটন-হিক্স সংকোচন (Braxton-Hicks contractions) অথবা ফলস লেবার পেইন (False labour pain)।

ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা),Consultant Sonologist
ব্র্যাক্সটন-হিক্স সংকোচন- ফলস প্রসব বেদনা নামে অনেকের কাছে পরিচিত। এটি একধরনের জরায়ুর সংকোচন যা সাধারণত গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় বা তৃতীয় ত্রৈমাসিকের আগ পর্যন্ত অনুভূত হয় না।......
বিস্তারিত

হার্টের জন্য উপকারী টমেটো !!!

পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন,পুষ্টি কর্মকর্তা
টমেটো অনেকের কাছে অনেক মজাদার ও প্রিয় একটি ফল। কাঁচা, পাকা, রান্না করে বা রান্না ছাড়া যেকোনো ভাবে আমরা অনেক মজার সাথে এই ফল খেতে পারি। .....
বিস্তারিত

কিভাবে সমালোচনা সহ্য করবেন?

জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
সাধারণত যে কোন মানুষের জন্য সমালোচনা সহ্য করা কঠিন। তবে বিভিন্ন ক্ষেত্রে আমাদের সমালোচনা সম্মুখীন হওয়া খুবই স্বাভাবিক বিষয়।....
বিস্তারিত

বাধাকপি

পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন,পুষ্টি কর্মকর্তা
বাধাকপি একটি সুস্বাদু শীতকালীন সবজি। আমাদের দেশের ঘরে ঘরে একটি জনপ্রিয় খাবার এই বাধাকপি। এটি কাঁচা এবং রান্না দুইভাবেই খাওয়া যায়।........
বিস্তারিত

ডিপ্রেশন একটা মানসিক রোগ

জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
করোনা পরবর্তী সময়ের অন্যতম একটা মানসিক রোগ ডিপ্রেশন। ডিপ্রেশন কোন অভাববোধ থেকে নাও হতে পারে। সবকিছু থাকার পরেও অনেকের ডিপ্রেশন হতে পারে। ২ সপ্তাহ বা তার বেশি সময় এই লক্ষণগুলির মধ্যে কমপক্ষে ....
বিস্তারিত

Stop bullying plz - ফেসবুকে বাজে কমেন্টস এবং বাস্তব জীবনে মানুষকে হেয় করে গাল-মন্দ করা বন্ধ করুন

নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী,Bsc (Hon's) Msc (food & Nutrition)
মানুষ সব কিছু তেই সেরা খুজে! বাজারের সেরা মাছ, আড়তের সেরা চাল, খাটি গরুর দুধ, দেশী তাজা মুরগীর ডিম, ক্ষেতের সদ্য তোলা আলু, সুন্দরী বউ, টাকাওয়ালা ছেলে, খ্যাতিমান ডাক্তার।......
বিস্তারিত

গর্ভবতী মায়ের হৃদরোগ

ডাঃ হাসনা হোসেন আখী,এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএস (অবস এন্ড গাইনী)
অনেকে উচ্চ রক্তচাপে ভুগে থাকেন। তাদের অবশ্যই গর্ভকালীন চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে থাকতে হবে। যাদের হার্ট অ্যাটাক বা অন্য কোনো ইসকেমিক হার্ট ডিজিজের ইতিহাস আছে, তাদেরও হার্টের যাবতীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে গর্ভধারণের........
বিস্তারিত

বডি শেমিং বন্ধ করুন

পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু,নিউট্রিশনিস্ট
আমরা সবাই কমবেশি বডি শেমিং টার্মটির সাথে পরিচিত। খুব অবাক হই তাদের কথা ভেবে যারা অন্যদের সাথে এমন করেন - তুমি খুব মোটা ওজন কমাও না কেন??........
বিস্তারিত

মানসিক সাস্থ্য কিভাবে ভাল রাখবো???

ডা: অনির্বাণ মোদক পূজন,হৃদরোগ, বাতজ্বর ও উচ্চ রক্তচাপ রোগ বিশেষজ্ঞ
মানসিকভাবে ভালো থাকতে শারীরিকভাবে সুস্থ থাকাটাও জরুরি। শরীরকে সক্রিয় রাখতে সামর্থ্য অনুযায়ী ব্যায়াম করুন। ব্যায়াম করলে সুখ হরমোন নিঃসৃত হয়। মানসিকভাবে হালকা বোধ করতে বা মন ভালো রাখতে নিয়মিত ব্যায়ামের চর্চা করে যান।......
বিস্তারিত

লিম্ফোমাঃ রক্তের বিশেষ একপ্রকারের ক্যান্সার


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট

ব্যস্ত জীবনে সুস্থ থাকতে ছোট ছোট পরিবর্তন আনুন


পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু

ব্রেস্ট ক্যান্সার প্রতিরোধে যে পদক্ষেপটি সবার জন্য জরুরি


ডাঃ লায়লা শিরিন

কেন হাঁটবেন? কিভাবে হাঁটবেন ? কতটুকু হাঁটবেন?


ডা: অনির্বাণ মোদক পূজন।হৃদরোগ, বাতজ্বর ও উচ্চ রক্তচাপ রোগ বিশেষজ্ঞ

রুট ক্যানাল ( দাতেঁর ব্যথার) চিকিৎসা কি? কখন করাতে হয়?


ডা: এস.এম.ছাদিক,বি ডি এস (ডি ইউ),এম পি এইচ (অন কোর্স)

প্রেগ্ন্যান্সিতে 3D/4D আল্ট্রাসনোগ্রাম কখন কেন করাবেন।


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা) ,,Consultant Sonologist

ভিটামিন ই কেন খাব? কোথায় পাব?


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন।বিএসসি (সম্মান), এমএসসি (প্রথম শ্রেণী) (ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি)

জরুরি জন্মনিরোধক পিল ব্যবহারে সচেতন থাকুন


ডাঃ হাসনা হোসেন আখী,এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএস (অবস এন্ড গাইনী)

অনিয়মিত পিরিয়ডের কারণ , চিকিৎসা ও ঘরোয়া প্রতিকার


ডাঃ হাসনা হোসেন আখী

আসুন থ্যালাসেমিয়াকে জানি


ডাঃ গুলজার হোসেন

মুরগীর কলিজা কি সত্যিই বিষাক্ত?


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন।

অনিদ্রার ব্যবস্থাপনা


জিয়ানুর কবির

মলদ্বারের যত রোগ


ডাঃ মোঃ মাজেদুল ইসলাম

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোম (PCOS) ও এর প্রভাব।


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা)

শিশুদের জন্য ব্যায়াম কখন প্রয়োজন?


নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী

স্তনের চাকা এবং ক্যান্সার আতংক


ডাঃ লায়লা শিরিন,সহযোগী অধ্যাপক, ক্যান্সার সার্জারী, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল

তিতা করলার স্বাস্থ্য উপকারিতা


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন

গ্যাসের সমস্যা ওষুধ খেয়ে না কমিয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে কমান


ডায়েট কনসালটেন্ট নুসরাত জাহান

প্রবীণদের আক্রমণাত্মক আচরণ: পরিবারের সদস্যদের করণীয়


ডা. ফাতেমা জোহরা

পাইলস ও ফিসার : ধারণা ও সতর্কতা


ডাঃ মোঃ আশেক মাহমুদ ফেরদৌস

মানসিক সেবাপ্রদানকারী কি সঠিক ডিগ্রীধারী??


জিয়ানুর কবির

রোজা রেখে আমি কখন হাটতে পারবো?


নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী

কেন হাসবো??


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন

সহমর্মিতামূলক প্যারেন্টিং (Empathetic parenting)


জিয়ানুর কবির