Royalbangla
ডায়েটিশিয়ান সিরাজাম মুনিরা
ডায়েটিশিয়ান সিরাজাম মুনিরা

ডায়াবেটিস কি ? ডায়াবেটিস থেকে দূরে থাকার উপায় কি ?

ডায়াবেটিস ও নিয়ন্ত্রণ


  1. একটি মহাআতংকের নাম ডায়েবেটিস। আচ্ছা এতো ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই। একজন ডায়েটিশিয়ানকে বন্ধু বানিয়ে নিন, সাথে একটু নিয়ন্ত্রণ। কোনো ব্যাপারই না ডায়েবেটিসকে কাবু করতে। আসুন একটু শেষ পর্যন্ত জেনে নেই, কী করতে হবে।
    বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ১০% (৮.৪ মিলিয়ন) মানুষ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, WHO 2014| World Health Organization Diabetes Country Profile 2016 এর মতে বাংলাদেশে ডায়াবেটিসে প্রতি বছর মারা যায় ৬০৬০ পুরুষ এবং ৪৭৬০ মহিলা যাদের বয়স ৩০-৬৯ বছরের মধ্যে। ৭০ বা তার ওপরের বয়সে মারা যায় ৮২২০ পুরুষ এবং ৭৩৯০ মহিলা। ডায়াবেটিসসহ অন্যান্য জটিলতায় পুরুষ ৪.৬% এবং মহিলা ৭.৪% ভোগে।
    ডায়াবেটিস মেলাইটাস কোনো এটি একটি বিপাকজনিতো সমস্যা।এ রোগে মানুষের শরীরের রক্তে গ্লুকোজ সাধারণ পরিমাণ এর চেয়ে অনেকটাই বেড়ে যায়। তার কারণ হল শরীরে সঠিক পরিমাণ ইন্সুলিন তৈরী হয় না অথবা শরীরের ইন্সুলিন কার্যকর ভূমিকা নিতে পারে না।
    তবে, জীবনশৈলী ও খাদ্য তালিকা পরিবর্তনের মাধ্যমে অনায়াসেই ডায়াবেটিস কমানো যায়।
    ডায়েবেটিস প্রধানতো তিন প্রকার
  2. এক
    টাইপ ১ ডায়াবেটিস
    সাধারণত ৩০ বৎসরের কম বয়সীদের টাইপ ১ ডায়েবেটিস হলেও যে কোনো বয়সের লোকই এ ধরনের ডায়েবেটিসে আক্রান্ত হতে পারে।বিশ্বের মোট ডায়েবেটিক জনগোষ্টীর ৫-১০% এ ধরনের ডায়েবেটিসে ভোগে।টাইপ ১ ডায়েবেটিসের ক্ষেত্রে শরীরের অভ্যন্তরিন কিছু সমস্যাক কারণে অগ্নাশয়ের ইনসুলিন প্রস্তুতকারী বিটা কোষগুলো ধ্বংস হয়ে যায় ফলে ইনসুলিন একেবারেই তৈরী হয় না।আর তাই বেঁচে থাকার জন্য এদের ইনসুলিন দেয়া অত্যাবশ্যক।
  3. দুই
    টাইপ ২ ডায়াবেটিস
    আমাদের দেশের বেশিরভাগ ডায়েবেটিক ব্যক্তিই টাইপ ২ ডায়েবেটিসে আক্রান্ত হন।এদের শরীরে ইনসুলিনের আপেক্ষিক অভাবের পাশাপাশি ইনসুলিন ঠিকমতো কাজ করতে পারেনা,যাকে ইংরেজীতে বলে Insulin resistance ।সাধারণত ৩০ বৎসরের অধিক বয়সী ব্যক্তিদের টাইপ ২ ডায়েবেটিস হয়ে থাকলেও কখনো কখনো অল্প বয়সেও হতে পারে।এদের রোগ প্রক্রিয়া কিছুটা মন্থর হওয়ায় বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই উপসর্গগুলো সঠিকভাবে প্রকাশ পায় না।টাইপ ২ ডায়েবেটিক ব্যক্তিদের ওজন সাধারণত স্বাভাবিক বা বেশী হয়ে থাকে।
  4. তিন
    গর্ভকালীন ডায়েবেটিস
    গর্ভাবস্থার সময় মহিলাদের হঠাৎ করে ডায়াবেটিস বেড়ে যায় যাকে বলে গেষ্টেশনাল ডায়াবেটিস। এই সময় যদি সঠিকভাবে প্রতিকার ব্যবস্থা না নেওয়া হয়, তাহলে তা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে পরিণত হতে পারে।
    ভৌগোলিক অবস্থান অনুযায়ী এশিয়াতে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের প্রবণতা বেশি থাকে।
    মহিলাদের ক্ষেত্রে পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম বা পি.সি.ও.ডি থাকলে এই ডায়াবেটিস দেখা দিতে পারে।
    এছড়াও অন্যান্য বিশেষ ধরনের ডায়েবেটিস রয়েছে।যথা
    রোগ,স্টেরয়েড জাতীয় ঔষধ,অগ্নাশয়ের রোগ ইত্যাদির কারণে কখনো কখনো রক্তের গ্লুকোজ বেড়ে যায়।
    ডায়েবেটিসের লক্ষণ কী তা জেনে নেই চলুন
  5. A
    বেশী বেশী প্রস্রাব হওয়া
  6. B
    বেশী বেশী পিপাসা পাওয়া
  7. C
    বেশী বেশী ক্ষুধা লাগা
  8. D
    ওজন কমে যাওয়া

  9. E
    দূর্বল হয়ে যাওয়া

  10. এবার বলবো কী খাবার আপনার ডায়েবেটিসকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে যাদুর মতো সাহায্য করবে

  11. নাশপাতি
    নাশপাতিতে বিদ্যমান পলিফেনল টাইপ-২ ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে।পলিফেনল রক্তের শর্করার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে।সপ্তাহে পাঁচবারের বেশি নাশপাতি খেলে ইনসুলিনের সংবেদনশীলতা বাড়ে।এটি চোখ, ত্বক এবং কিডনির সমস্যাও দূর করতে সাহায্য করে।একটি পরিপূর্ণ নাশপাতি ফলে ৬ গ্রাম ফাইবার ১০০ গ্রাম ক্যালোরি ২৬ গ্রাম কার্বোহাইড্রেট থাকে। তাই নাশপাতি সুগার কন্ট্রোল করতে পারে কারণ নাশপাতির মধ্যে থাকা এই কার্বোহাইড্রেট আর ফাইবারের কম্বিনেশন শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করে।

  12. আমলকি
    আমলকি একটি সুপার ফ্রুট নামে পরিচিত। আমলকির মধ্যে ক্রোমিয়াম নামক মিনারেল পাওয়া যায়। যা আমাদের শরীরের কার্বোহাইড্রেট মেটাবোলিজম কে বুস্ট করে আর ইনসুলিন তৈরী করেতে সাহায্য করে।তাই প্রতিদিন ২-৪ টি আমলকি গ্রহণ করুন।

  13. পেয়ারা
    পেয়ারা সুগার কন্ট্রোল করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। পেয়ারার মধ্যে ফাইভার, ল্যাকপিন, পটাসিয়াম, ভিটামিন সি,ভিটামিন এ ,ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এর মত মিনারেলসে ভরপুর থাকে।স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে যদি প্রতিদিন একটি পেয়ারা গ্রহণ করেন তাহলে ব্লাড প্রেসার কে কন্ট্রোলে নিয়ে আসা সম্ভব। তবে যেই ফল ই খান না কেনো,দুপুর অথবা রাতের ভারী খাবারের পরপর খাবেন না।৩০ মিনিট পর গ্রহণ করুন।

  14. ডিম
    প্রকৃতপক্ষে, ডিম আপনাকে ঘন্টা ধরে পরিপূর্ণ রাখার জন্য সেরা খাবারগুলির মধ্যে একটি ।ডিম ইনসুলিন সংবেদনশীলতা উন্নত করে এইচডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করে এবং আপনার খারাপ এলডিএল কোলেস্টেরলের আকার এবং আকার পরিবর্তন করে ।একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, হাই যারা টাইপ ২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতিদিন ১টি ডিম খাওয়ান এবং তাদের কোলেস্টেরল এবং রক্তে শর্করার মাত্রায় উন্নতি ঘটেছে।এছাড়াও ডিমে রয়েছে লুটেইন এবং জেক্সানথিনের অন্যতম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা চোখে রোগ থেকে রক্ষা করে।সপ্তাহে ৪ দিন কুসুমছাড়া একটি ডিম ও বাকি ৩ দিন কুসুমসহ একটি ডিম খেতে পারেন।

  15. করলা
    গবেষণায় দেখা গেছে, করলাতে রয়েছে অ্যান্টি-ডায়াবেটিক যৈ ইনসুলিন ইনজেকশনের থেকেও অনেক ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর। চিকিৎসকরা বলছেন, কাঁচা করলা বা করলার রস নিয়মিত খেতে পারলে ডায়াবেটিসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকবে।করলার মধ্যে রয়েছে শক্তিশালী এনজাইম।এটি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা কমিয়ে নিতে সাহায্য করে।

  16. মটরশুঁটি ও ব্রোকলি
    ফাইবার বা আঁশযুক্ত খাবার ডায়াবেটিস রোগীর জন্য অনেক উপকারী। মটরশুঁটিতে আছে ভরপুর ফাইবার। মটরশুঁটি রক্তের গ্লুকোজের মাত্রাকে সাধারণ মাত্রায় রাখে। ব্রোকলি একটি ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ এমন একটি বিশেষ যৌগ আছে যা ডায়াবেটিস এর সাথে যুদ্ধ করে রক্তে শর্করার পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করে।

  17. বাদাম
    বাদামে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেশিয়াম, আঁশ ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট বা স্নেহজাতীয় উপাদান থাকে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গেছে, বাদাম ডায়াবেটিস প্রতিরোধে বেশ কার্যকর। চিনাবাদাম ডায়াবেটিসের ঝুঁকি প্রায় ২১ শতাংশ পর্যন্ত কমাতে পারে। প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় কিছু কাঠবাদাম,চিনাবাদাম ইত্যাদি রাখলে তা ডায়াবেটিস প্রতিরোধে ভালো কাজ দেয়।

  18. আপেল
    আঁশযুক্ত আপেল খেলে সুগার কন্ট্রোলে থাকে। আপেল ফাইভার, ভিটামিন সি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর।আপেলে থাকা ফাইবার ও কার্বোহাইড্রেট হজম করতে সাহায্য করে। যার ফলে সুগার লেবেল কন্ট্রোল থাকে।তবে তবে কথা আছে,মিষ্টি লাল আপেল নয়,বাজারে পাওয়া যায় যেসকল একটু টক সবুজ আপেল।

  19. টক দই
    টক দইতে প্রচুর পরিমাণে ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি থাকে।তাছাড়া মজবুত হাড় ও সুস্থ দাঁতের জন্যও টক দই উপকারী।ডায়েবেটিক রোগীর দাঁত ও হাঁড় ঠিক রাখতে দুধ হজম না হলে টক দই খেতে পারেন।এতে চিনির পরিমাণ খুবই কম। ফলে টক দই রক্তে চিনির পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। দুপুরে খাবারের পর কিংবা বিকালে নাস্তার সঙ্গে টক দই গ্রহণ করতে পারেন।
    তাছাড়াও মেথি, জাম, কালোজিরা, টক জাতীয় ফল যেমন টক আঙ্গুর, কমলালেবু ইত্যাদি ডায়েবেটিস নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।
    যেসকল খাবার পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী পরিমান বুঝে খেতে হবে আটার রুটি, তন্দুর রুটি, ভাত, মুড়ি, চিড়া, খৈ, নুডুলস, সেমাই, আলু, মিষ্টি আলু, নোনতা বিস্কিট, মাংস, পনির, মাখন, ডালডা, নারিকেল, ঘি, আলু, কচু, মোচা, গাজর, কাঁকরোল, কাঁঠাল, আম, কচুরমুখী, বেগুন, ঢেড়শ, শালগম, পাকা পেঁপে, পাকা কলা, মিষ্টি বড়ই, তরমুজ, খেজুর ইত্যাদি।
    অনেক হলো খাবারদাবার। এবার যে আপনাদের কিছু সতর্ক করতেই হয়।পরে দিবো টিপস।আগে পায়ের যত্ন নিয়ে বলে নেই।ডায়েবেটিক পেশেন্ট সবচেয়ে অবহেলা করে পা নিয়ে। এমনো রোগী পাওয়া যায় যাদের ২ পা কেটে ফেলে দিতে হয়। কেনো জেনেশুনে ভুল করবেন নাতাই পায়ের যত্ন কীভাবে নিবেন তা বলে দিবো।
    ডায়েবেটিস জনিত পায়ের সমস্যা তিন ধরনের
  20. এক
    স্নায়ু বৈকল্য জনিত (নিউরোপ্যাথি)
  21. দুই
    রক্ত চলাচল কমে যাওয়া
  22. তিন
    ইনফেকশনজনিত
    বুঝতেই পারছেন পায়ের যত্ন নিতেই হবে। তাই চলুন জেনে নেই কীভাবে নিবেন পায়ের যত্ন
  23. A
    পা অস্বাভাবিক গরম থাকে কিনা দেখতে হবে।
  24. B
    পা কখনো শুকনো খসখসে রাখা যাবেনা,প্রয়োজনে লোশন বা ভ্যাসলিন ব্যবহার করতে হবে।
  25. C
    পুঁজ বা পানি বের হয় কিনা দেখতে হবে।
  26. D
    লাল,ফুলে যাওয়া,ব্যথা হওয়া এদের কাউকেই অবহেলা করা যাবেনা।
  27. E
    গরম ঠান্ডার অনুভূতি আছে কীনা পরীক্ষা করে নিতে হবে।
  28. F
    পায়ে অত্যধিক গরম পানি ঢালবেন না।
  29. G
    পায়ে যেন কোনো আঘাত না লাগে সেদিকে খেয়াল রাখবেন।
  30. H
    নিয়মিত পায়ের বাড়তি নখ কাটবেন, নখ কাটার সময় বিশেষভাবে সাবধানতা অবলম্বন করবেন, যাতে আঙ্গুলে আঘাত না লাগে।
  31. I
    পায়ের কড়া নিজে কাটবেন না। ময়লা বা ভিজে মোজা পরবেন না।
  32. J
    রক্ত চলাচলের জন্য রোজ নিয়মিত পায়ের ব্যায়াম করবেন।
  33. K
    জুতা অবশ্যই নরম ও মাপমতো হতে হবে
  34. L
    খালি পায়ো হাটবেন না।
  35. M
    পায়ের আঙ্গুলের মাঝখানে ভেজা রাখা যাবেনা।
  36. N
    ভালোভাবে দেখার জন্য আয়না ব্যবহার করতে পারেন বা অন্যের সাহায্য নিতে পারেন।
    এবার কিছু সাধারণ টিপস
  37. এক
    একজন ডায়েটিশিয়ান দেখিয়ে নিজের খাবারের চার্ট করে নিন।
  38. দুই
    ডায়াবেটিক রোগীরা খাবার স্যালাইন খেতে পারবে। তবে তা শুধু ডায়রিয়া হলে বা বারবার বমি হলে।
  39. তিন
    প্রতিদিন অন্তত চার বার রক্তের গ্লুকোজ মেপে নিবেন।
  40. চার
    হাইপোগ্লাইসেমিয়া মানে রক্তের গ্লুকোজ লেভেল ২-৩ এর মধ্যে হলে দেরী না করে চা চামচের ৩-৪ চামচ চিনি/মধু দিয়ে এক গ্লাস পানি খেয়ে নিবেন। এ সম্পর্কে বিস্তারিতো ধারণা চিকিৎসকের কাছ থেকে অবশ্যই জেনে নিবেন।
  41. পাঁচ
    ৩৫-৪০ মিনিট ঘাম ঝড়িয়ে হাঁটবেন,বাসার রুমে অথবা ছাদে।
  42. ছয়
    কোনো কাঁটা ছেড়াকে অবহেলা না করে দ্রুতো চিকিৎসকের নিকট শরণাপন্ন হবেন।
  43. সাত
    ইনসুলিন নেয়ার পদ্ধতি ও নিয়ম জেনে নিবেন নিজ দায়িত্বে।
  44. আট
    এক বেলা কম এক বেলা বেশি খাবার খাবেন না।
  45. নয়
    পরিবারের যেকোনো ১/২ জনকে আপনার দায়িত্ব নেয়ার ব্যবস্থা করবেন যে কোনো সমস্যা মোকাবেলা করতে।
  46. দশ
    ঔষধের ডোজ নিয়ে চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে নিবেন।
    এখন করোনাকালীন সময়,বাইরে বের হবেন না। একান্ত কেউ বাসায় না থাকলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে বের হবেন। ভয়কে জয় করুন। ডায়েবেটিস কোনো আতংক নয়, নিয়ম মেনে চললে বনের বাঘ ও পোষ মানে। আর এ তো সামান্য ডায়েবেটিস।
    লেখক
    পুষ্টিবিদ সিরাজাম মুনিরা
    কনসালটেন্ট ডায়েটিশিয়ান ইবনেসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও কেয়ার মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
  1. royalbangla.com এ আপনার লেখা বা মতামত বা পরামর্শ পাঠাতে পারেন এই এ‌্যড্রেসে [email protected]
পরবর্তী পোস্ট

নরমাল ডেলিভারির জন্য টিপস


.

সুস্থ্য থাকতে কোনটি খাবেন সাদা চিনি নাকি লাল চিনি ?


ডায়েটিশিয়ান সিরাজাম মুনিরা
.

গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কি?


ডা. মোঃ মাজহারুল হক তানিম
.

হরমোন জনিত রোগের লক্ষণ জেনে রাখুন আপনার কাজে লাগতে পারে


ডা.মোঃ মাজহারুল হক তানিম
.

একজন ডায়াবেটিস রোগীর একদিনের ডায়েট চার্ট


ডা. মোঃ মাজহারুল হক তানিম
.

ডায়বেটিস রোগীর পায়ের যত্ন কেন এবং কিভাবে নেবেন ?


ডা. মোঃ মাজহারুল হক তানিম
.

ডায়াবেটিস কি ? ডায়াবেটিস থেকে দূরে থাকার উপায় কি ?


ডায়েটিশিয়ান সিরাজাম মুনিরা
.

প্রি-ডায়াবেটিস বা ডায়াবেটিস এর ঝুকি


Nutritionist Iqbal Hossain
.

অতিরিক্ত চিনি কিভাবে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমায় জেনে নিন


Nutritionist Tahmina Akter
.

হরমোন ও বন্ধ্যাত্ব!


ডা. মো মাজহারুল হক তানিম
.

জেনে নিন আপনি যে অভ্যাসগুলোর কারণে কিডনি রোগে আক্রান্ত হতে পারেন


নুসরাত জাহান, ডায়েট কন্সালটেন্ট
.

হতাশা, মানসিক অসুস্থতার সাথে গর্ভকালীন ডায়বেটিসের সম্পর্ক ও আমাদের করণীয়


ডা. ফাতেমা জোহরা
.

ডায়াবেটিক এবং উচ্চরক্তচাপে আক্রান্ত ব্যক্তিরা কি জাম খেতে পারবেন?


পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু
.

গর্ভাবস্থায় গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে করণীয়


ডা. ফাতেমা জোহরা
.

ডায়াবেটিস রোগীদের পায়ের যত্নে কিছু টিপস


ডাঃ আয়েশা রাইসুল (গভঃ রেজিঃ H-১৫৯৮)
.

ডায়াবেটিস: প্রতিকার ও প্রতিরোধ


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন।বিএসসি (সম্মান), এমএসসি (প্রথম শ্রেণী) (ফলিত পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি)

পরিবারকে সময় দিন

ডা: অনির্বাণ মোদক পূজন,হৃদরোগ, বাতজ্বর ও উচ্চ রক্তচাপ রোগ বিশেষজ্ঞ
খুব ব্যস্ত আপনি, ব্যস্ততা ছাপিয়ে কখন একটু বিশ্রাম নেবেন, সেই ফুসরত খুঁজতেই আপনি ক্লান্ত। অফিস থেকে বাসা, আবার বাসা থেকে সেই অফিস। অফিসেও তো কাজের চাপ আর অশান্তির কোনো শেষ নেই।......
বিস্তারিত

গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি।।

ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা),Consultant Sonologist
গর্ভাবস্থা হল শরীরের মধ্যে পরিবর্তনের একটি সময়। শিশুর বৃদ্ধি, প্ল্যাসেন্টা এবং শিশুর চারপাশে তরল (অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইড) থাকার কারণে গর্ভাবস্থায় কিছু ওজন বৃদ্ধি হওয়া স্বাভাবিক।.........
বিস্তারিত

সিজারিয়ান (সি-সেকশনে) ডেলিভারি কি ? কেন?

ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা),Consultant Sonologist
সি-সেকশনের মাধ্যমে ডেলিভারি এক এক অঞ্চলে এক এক রকম। তবে গড়ে বিশ্বব্যাপী ১৫% জন্ম সি-সেকশনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে এই হার সর্বোচ্চ (২৯.২%).......
বিস্তারিত

ডাউন্স সিন্ড্রোম!

নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী
এই হরমোন আমাদের ক্ষুধা কে নিয়ন্ত্রন করে।কিছু কিছু ডাটা দেখাচ্ছে যে এই হরমোন ডাউন্স সিন্ড্রোমিক চাইল্ড দের বেড়ে যাওয়ার কারনে তাদের এই ক্ষুধার নিয়ন্ত্রন থাকে না যা অবেসিটির ঝুকিতে ফেলে দেয়।.....
বিস্তারিত

ড্রিপ্রেশন ম্যানেজমেন্টে পরিবার বা প্রিয়জনের ভূমিকা

জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
ডিপ্রেশনের চিকিৎসায় মেডিসিন ও সাইকোথেরাপী দুই ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। বিষন্নতার মাত্রা অল্প হলে শুধুমাত্র সাইকোথেরাপি দিয়ে চিকিৎসা করলে ভালো হয়ে যায়।....
বিস্তারিত

ডায়াবেটিক পেশেন্ট কি উপায়ে তরমুজ খাবেন

পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু
ঋতু হিসেবে গ্রীষ্মকাল অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে। গ্রীষ্মকালের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে একটি চমৎকার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই মৌসুমে পুষ্টিগুণে ভরপুর সব মুখরোচক ফল .....
বিস্তারিত

হাত- পা জ্বালাপোড়া

ডা. মুহম্মদ মুহিদুল ইসলাম,সায়েন্টিফিক অফিসার
চেম্বারে অনেক রোগী আসেন যাদের সমস্যা হাত-পা জ্বালাপোড়া। কেউ কেউ বলেন হাত-পা ঝিমঝিম করে,হাত পা টানে,খোচাখোচা অনুভূতি হয়।মোটা দাগে এগুলো সব নার্ভের সমস্যা যাকে Peripheral Neuropathy.....
বিস্তারিত

কেমন হবে মাহে রমজানের খাবার ব্যাবস্থাপনা

পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন,পুষ্টি কর্মকর্তা
মাহে রমজানে বিশ্বের সকল দেশের মুসলিমগন হরেক রকমের খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করে থাকেন। কিন্তু আমাদের ভোজন রসিক বাঙালির খাওয়া দাওয়ার পারদ টা....
বিস্তারিত

রমজান মাসের স্বাস্থ্য সতর্কতা:

Colorectal Care Dr. Md Ashek Mahmud Ferdaus
রমজান মাস মুসলমানদের একটি পবিত্র মাস। সওয়াবের মাস। এবাদত বন্দেগী ও সংযমের মাস। এ মাস আল্লাহ পাকের রহমত ও বরকতের মাস। রোযা আমাদের প্রতিটি কাজে সংযমের শিক্ষা দেয়।......
বিস্তারিত

দাম্পত্য জীবন সুখি করবেন কিভাবে??

জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
বর্তমানে প্রাকটিসে প্রায় দম্পতিরা সমস্যা নিয়ে আসেন। কোন সময় একজন এসে তার সঙ্গীর সমস্যা বলতে থাকেন। আবার কখনো দুজনই একসাথে আসেন।.....
বিস্তারিত

খালিপেটে নাকি ভরাপেটে খাবেন ঔষধ!!

ডা. মুহম্মদ মুহিদুল ইসলাম,সায়েন্টিফিক অফিসার
আজকাল অনেক চিকিৎসক ই আছেন রোগী কে সুন্দর করে প্রেস্ক্রিপশন বুঝিয়ে বলে দেন।এতে রোগী যেমন রোগ সম্পর্কে সচেতন হয় তেমনি ঔষধ গুলো বুঝে নিলে চিকিৎসক এর নির্দেশনা মেনে খেতে পারে।....
বিস্তারিত

শিশুর অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহনের কুফল

নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী,
ইদানীং শিশুদের কে চাহিদার অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহন করতে দেখা যাচ্ছে। যার ফলে শিশু নানা রকম স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ে যাচ্ছে যা মারাত্মক আকার ধারন করার আগেই আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।....
বিস্তারিত

ডালিম বা বেদানায় কতখানি আয়রন?


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট

হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে সুরক্ষিত থাকুন


পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু,নিউট্রিশনিস্ট

স্মার্টফোনে আসক্তি কমাতে করণীয়


ডা: অনির্বাণ মোদক পূজন,হৃদরোগ, বাতজ্বর ও উচ্চ রক্তচাপ রোগ বিশেষজ্ঞ

মাউথ আলসার কি? কেন হয়?


ডা: এস.এম.ছাদিক,ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী

এনোমালি স্ক্যান (Anomaly Scan) কি এবং এই স্ক্যান করার প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা) ,Consultant Sonologist

বাধাকপি


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন,পুষ্টি কর্মকর্তা

ডিপ্রেশন একটা মানসিক রোগ


জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট

Stop bullying plz - ফেসবুকে বাজে কমেন্টস এবং বাস্তব জীবনে মানুষকে হেয় করে গাল-মন্দ করা বন্ধ করুন


নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী,Bsc (Hon's) Msc (food & Nutrition)

অকাল গর্ভপাতের ৬ কারণ


ডাঃ হাসনা হোসেন আখী,এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএস (অবস এন্ড গাইনী)

সুস্থতায় নিয়মানুবর্তিতা: যেসব নিয়ম মেনে চললে দীর্ঘদিন সুস্থ থাকা যায়


পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু

বাচ্চার আদর্শ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে যা করা উচিত এবং যা করা উচিত নয়


নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী,Bsc (Hon's) Msc (food & Nutrition)

সুপারবাগ: মানবজাতির জন্য কতটা ভয়ংকর?


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট

আত্মহত্যা প্রতিরোধে আমাদের যা করা উচিত


ডা. ফাতেমা জোহরা , মনোরোগ, যৌনরোগ ও মাদকাসক্তি নিরাময় বিশেষজ্ঞ

গর্ভধারণ এবং স্তন ক্যান্সার পর্ব ১


ডাঃ লায়লা শিরিন,অধ্যাপক, ক্যান্সার সার্জারী, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল।

ইউরিক এসিড জনিত সমস্যায় কি করণীয় জেনে নিন


ডা: অনির্বাণ মোদক পূজন,হৃদরোগ, বাতজ্বর ও উচ্চ রক্তচাপ রোগ বিশেষজ্ঞ

হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism)- গর্ভবতী মা ও অনাগত শিশুর উপর এর প্রভাব


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা) ,,Consultant Sonologist

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিভাবে বাড়াবেন?


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন

ফিটাল প্রেজেন্টেশন ও নরমাল ডেলিভারি।


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা)

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসম্মত বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিকভাবে যা করণীয়


ডাঃ হাসনা হোসেন আখী

বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে করণীয়


Royalbangla desk

পরিবারের / খুব কাছের মানুষ ক্যান্সার আক্রান্ত? কি করবেন? পর্ব ৩


ডাঃ লায়লা শিরিন

পাইলস কি ? কখন অপারেশন করাতে হয় ? কিভাবে ভাল থাকা যায়?


ডাঃ মোঃ মাজেদুল ইসলাম

কোষ্ঠকাঠিন্যঃ আছে সহজ সমাধান।


ডাঃ স্বদেশ বর্মণ

নরমাল ডেলিভারি না সিজার করাবেন?


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা)