Royalbangla
Dr.Afjal Hossain
Dr.Afjal Hossain

প্যানিক এটাক কেন হয় ? কিভাবে নিয়ন্ত্রণে আনবেন ?

মানসিক স্বাস্থ্য

অনেকের ই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে পড়লে মনে হয় দম আটকে যাচ্ছে , শ্বাস নিতে পারছেন না , পালপিটেশন বেড়ে যাচ্ছে ,আতঙ্ক লাগছে , এখনই মরে যাচ্ছেন এমন ফিল হয়। এটাকে ইংরেজিতে প্যানিক এটাক বলে।

প্যানিক এটাকের যথাযথ চিকিৎসা করা না হলে এটি প্যানিক ডিসর্ডারের দিকে ধাবিত করে এবং অন্যান্য জটিলতাও সৃষ্টি করতে পারে। এর কারণে এমনকি একজনের দেহের সাধারণ কার্যাবলিও থমকে যেতে পারে। কিন্তু যদি দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া হয় তাহলে প্যানিক এটাক সমস্যাটি দূর হয়ে যেতে পারে অথবা এর প্রকোপ কমানো যেতে পারে এবং পরবর্তীতে একজন সাধারণ জীবনযাপনও করতে পারেন।

প্যানিক এটাকের লক্ষণঃ

১. সারাক্ষণ গলা থেকে বুকের মাঝ বরাবর আর পেটের অর্ধেক পর্যন্ত একটা তীব্র আতঙ্ক চেপে ধরে আছে। মনে হচ্ছে ভয়ে আর আতঙ্কে কচলাচ্ছে।

২. নিশ্বাস নিতে কস্ট হচ্ছে, গলা চেপে ধরে আছে, বুকটাও চেপে ধরে আছে। মনে হচ্ছে এক্ষুণি মারা যাবো।

৩. বুকের মাঝখানটা চেপে ধরে শ্বাস কস্ট ভয় লাগে, তখন হার্টবিট বেড়ে যায় মনে হয় হার্ট এটাক হচ্ছে নইলে স্ট্রোক হচ্ছে, এখন বুঝি নিশ্চিত মৃত্যু। নিজেকে কোন কথা বলেও বুঝানো যায় না শান্ত করা যায় না।

৪. হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যায়। এতই দুর্বল লাগে যে মনে হয় আমি মাথা ঘুড়ে পড়ে যাবো।

৫. নামাজ পড়তে ভয় লাগে মৃত্যুর চিন্তা বেশি আসে, মসজিদে গেলে ভয় আরো বেশি ভয় লাগে। কুরআন শরিফ পড়লে পরকালের কথা মাথায় আসে বলেই আরো বেশি ভয় লাগে .

৬. হাত, পা কাঁপে , ঠোঁট কাঁপে , কান্না পায়।

প্যানিক এটাক কারো জীবনে কখনো হয়তো এক-দুইবার ঘটে থাকে। কিন্তু এমন কিছু মানুষ আছে যাদের কিছু দিন পরপরই প্যানিক এটাক হয়।

প্রথমত আপনি যদি প্যানিক এটাকে আক্রান্ত হোন প্রথমে কি করবেন?

প্যানিক এটাক মূল কারণ এখনও জানা যায়নি তবে এতো বছরের গবেষণা থেকে জানা যায় যে, প্যানিক ডিজঅর্ডার শরীরবৃত্তীয়, পরিবেশগত উভয় কারণের সংমিশ্রণ।

পাশাপাশি বিভিন্ন পারিপার্শ্বিক নিয়ামক, যেমন- জীবনে জটিলতা, কোনো বিষাদময় ঘটনা, আর্থিক সমস্যা, অনাকাঙ্ক্ষিত কোনো ঘটনা, ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া, বিভিন্ন প্রকার ফোবিয়া থেকে প্যানিক ডিসঅর্ডারের সূচনা ঘটতে পারে। পরিবারে কারও এই রোগ থাকলে অন্যদের তুলনায় ৪-৮ গুণ বেশি হবার সম্ভাবনা থাকে।

এছাড়া হাইপারথাইরয়েডিজম, হাইপোগ্লাইসিমিয়া, মাইট্রাল ভালভ প্রলাপস ইত্যাদি রোগের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় প্যানিক ডিসঅর্ডার হতে পারে।

পরিবারে বাবা-মা কারও যদি প্যানিক ডিজঅর্ডার থেকে থাকে বা হৃদরোগ থেকে থাকে তাহলে সন্তানদেরও এটা হতে পারে।

মস্তিষ্কের নিয়ন্ত্রণ এলাকায় অস্বাভাবিকতা থাকলে। মস্তিষ্কের ফাইট অর ফ্লাইট রেসপন্স এরিয়া নিয়ন্ত্রণকারী অংশে সমস্যা থাকলে প্যানিক ডিজঅর্ডার হতে পারে।

নিয়ন্ত্রণ বিধি ও চিকিৎসা ব্যবস্থাঃ

প্যানিক ডিসঅর্ডারের অভিজ্ঞতা প্রথমবারের মতো হলে অনেকই বিশ্বাস করেন যে তাদের হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে।প্যানিক ডিসঅর্ডারের ব্যাধি একবার নির্মূল করা সম্ভব নাও হতে পারে।কিন্তু কিছু নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ করলে এই রোগ নিয়ন্ত্রনে রাখা সম্ভব।

অ্যালকোহল এবং উত্তেজক যেমন ক্যাফিনের পাশাপাশি অবৈধ ড্রাগগুলি এড়িয়ে চলতে হবে।

এই প্যানিক ডিসঅর্ডারের জন্য ওষুধ প্রয়োগে চিকিৎসা করা হয় এবং সাথে সাথে কিছু মনস্তাত্ত্বিক চিকিৎসাও করা হয়।যেমন —

নিজেকে শান্ত করা : নিজেকে শান্ত করে মনের ভ্রান্ত ভয় ও আতঙ্ক ধারণা দূর করার চেষ্টা করা । নিজেকে এটা বোঝানো যে এটি একটি সাময়িক অবস্থা যা সহজেই ঠিক হয়ে যাবে, এতে মৃত্যুর সম্ভাবনা নেই।

শেয়ার করা : কারো সাথে নিজের প্রবলেম তা শেয়ার করা। এতে হালকা বোধ হয় , নিজের যুক্তি , চেতনা ও ফিরে আসে। Relaxation Trainingঃ রোগীকে শেখাতে হয় যে প্যানিক অ্যাটাকের সময় কীভাবে শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

শ্বাস প্রশ্বাস নিয়ন্ত্রণে আনা: প্যানিক অ্যাটাকের সময় বড় বড় করে বুক ভরে শ্বাস নিন। এতে মানসিক স্থিরতা আসবে। ধিরে ধিরে এট্যাক ও নিয়ন্ত্রনে আনা যাবে।

প্র্যাকটিস: যাদের এই সমস্যা বেশি হয় তারা আগে থেকে যদি নিজেকে ট্রেনিং দিয়ে রাখেন যে কেমন বোধ করলে কি করতে হবে। কোনটা করলে মন শান্ত হবে, তাহলে নেক্সট এট্যাক সহজে নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে।

প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণগুলো কমিয়ে আনতে প্রথমেই স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করতে হবে । যেমন —

-অতিরিক্ত ক্যাফেইন জাতীয় খাবার যেমন কফি, চা, কোলা ও চকলেট খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

-যেকোনো ওষুধ বা হারবাল প্রতিষেধক ব্যবহারের আগে ডাক্তারের পরামর্শ অবশ্যই নিতে হবে। কারণ, অনেক ওষুধে অ্যাংজাইটি লক্ষণ উদ্রেককারী কেমিকেল থাকে।

-হালকা ব্যয়াম করে নিলেও মন অন্য দিকে সরে যায়। নিজের মনের উপর নিয়ন্ত্রণ আসে।

-যখন মনে হবে এই ধরণের পরিস্থিতি তৈরি হতে চলেছে তখন প্রথমেই মুখে চোখে বারবার ঠাণ্ডা পানির ঝাপটা দেওয়া দরকার। সাথে আস্তে আস্তে ঠাণ্ডা পানি পান করাও দরকার।

-দীর্ঘ ও ধীরে (deep breathing) শ্বাস প্রশ্বাস নেওয়ার চেষ্টা করা উচিত। এতে নিঃশ্বাসের কষ্ট দূর হতে সাহায্য হয়।যে মুহূর্তে মনে হবে প্যানিক শুরু হচ্ছে সাথে সাথে উচিত মনকে অন্যদিকে ব্যস্ত করে ফেলার। গান শোনা, গল্প করা, পড়া বা যা ইচ্ছা লিখতে শুরু করা। এগুলো মনকে অন্যমনস্ক করে ফেলে। ফলে প্যানিক অ্যাটাক হওয়ার যে ট্রিগারটি সক্রিয় হচ্ছিল তা নিস্ক্রিয় হয়ে যায়।

সবশেষে বলব যাদের এমন সমস্যা হয় তাদের কষ্টকে অদ্ভুত ভেবে ছোট না করে, মজা না করে মানবিকতার খাতিরে তাঁর পাশে থাকার চেষ্টা করা আমাদের প্রত্যেকের কর্তব্য। যে ঘটনা বা পরিস্থিতিতে রুগীর এই অবস্থার শিকার হচ্ছেন সেই পরিস্থিতি, ঘটনা বা কথা বা ব্যবহার এড়িয়ে চলাই উচিত।মানসিক যে কোনো রোগের যন্ত্রণা এমন এক বিশেষ প্রকারের যন্ত্রণা যা বাইরে থেকে দেখে বোঝা বা অনুভব করা সম্ভব নয়। এমনকি যার সমস্যা হচ্ছে সে বারবার বললেও তা যেহেতু চোখে দেখা যায়না তাই অন্যের পক্ষে বোঝা সহজে সম্ভব হয়না। তাই এসব ক্ষেত্রে শুধু অই ব্যাক্তির কথাগুলোকে গুরুত্ব দিতে হবে। তাঁর সুবিধা ও অসুবিধাগুলোকে একটু গুরুত্ব দিতে হবে। যে কোনও মানসিক কষ্টে সবথেকে বেশি দরকার সহমর্মিতা।

লেখক
Dr.Afjal Hossain
Telemedicine Service
Assistant Registrar
United Hospital, Gulshan 2,Dhaka.
Former Panel Physician USA Embassy
Internship Mitford Hospital, Dhaka.,Dhaka.
Studied Sir Salimullah Medical College, Dhaka.
লেখকের সাথে যোগাযোগ করতে নিচের ফেসবুক পেইজে ক্লিক করুন

www.facebook.com/drafjalhossain

  1. royalbangla.com এ আপনার লেখা বা মতামত বা পরামর্শ পাঠাতে পারেন এই এ‌্যড্রেসে [email protected]
পরবর্তী পোস্ট

নরমাল ডেলিভারির জন্য টিপস


পরিবারকে সময় দিন

ডা: অনির্বাণ মোদক পূজন,হৃদরোগ, বাতজ্বর ও উচ্চ রক্তচাপ রোগ বিশেষজ্ঞ
খুব ব্যস্ত আপনি, ব্যস্ততা ছাপিয়ে কখন একটু বিশ্রাম নেবেন, সেই ফুসরত খুঁজতেই আপনি ক্লান্ত। অফিস থেকে বাসা, আবার বাসা থেকে সেই অফিস। অফিসেও তো কাজের চাপ আর অশান্তির কোনো শেষ নেই।......
বিস্তারিত

গর্ভাবস্থায় ওজন বৃদ্ধি।।

ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা),Consultant Sonologist
গর্ভাবস্থা হল শরীরের মধ্যে পরিবর্তনের একটি সময়। শিশুর বৃদ্ধি, প্ল্যাসেন্টা এবং শিশুর চারপাশে তরল (অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইড) থাকার কারণে গর্ভাবস্থায় কিছু ওজন বৃদ্ধি হওয়া স্বাভাবিক।.........
বিস্তারিত

সিজারিয়ান (সি-সেকশনে) ডেলিভারি কি ? কেন?

ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা),Consultant Sonologist
সি-সেকশনের মাধ্যমে ডেলিভারি এক এক অঞ্চলে এক এক রকম। তবে গড়ে বিশ্বব্যাপী ১৫% জন্ম সি-সেকশনের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ল্যাটিন আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলে এই হার সর্বোচ্চ (২৯.২%).......
বিস্তারিত

ডাউন্স সিন্ড্রোম!

নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী
এই হরমোন আমাদের ক্ষুধা কে নিয়ন্ত্রন করে।কিছু কিছু ডাটা দেখাচ্ছে যে এই হরমোন ডাউন্স সিন্ড্রোমিক চাইল্ড দের বেড়ে যাওয়ার কারনে তাদের এই ক্ষুধার নিয়ন্ত্রন থাকে না যা অবেসিটির ঝুকিতে ফেলে দেয়।.....
বিস্তারিত

ড্রিপ্রেশন ম্যানেজমেন্টে পরিবার বা প্রিয়জনের ভূমিকা

জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
ডিপ্রেশনের চিকিৎসায় মেডিসিন ও সাইকোথেরাপী দুই ধরনের চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। বিষন্নতার মাত্রা অল্প হলে শুধুমাত্র সাইকোথেরাপি দিয়ে চিকিৎসা করলে ভালো হয়ে যায়।....
বিস্তারিত

ডায়াবেটিক পেশেন্ট কি উপায়ে তরমুজ খাবেন

পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু
ঋতু হিসেবে গ্রীষ্মকাল অনেকের পছন্দের তালিকায় থাকে। গ্রীষ্মকালের অন্যান্য বৈশিষ্ট্যের মধ্যে একটি চমৎকার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এই মৌসুমে পুষ্টিগুণে ভরপুর সব মুখরোচক ফল .....
বিস্তারিত

হাত- পা জ্বালাপোড়া

ডা. মুহম্মদ মুহিদুল ইসলাম,সায়েন্টিফিক অফিসার
চেম্বারে অনেক রোগী আসেন যাদের সমস্যা হাত-পা জ্বালাপোড়া। কেউ কেউ বলেন হাত-পা ঝিমঝিম করে,হাত পা টানে,খোচাখোচা অনুভূতি হয়।মোটা দাগে এগুলো সব নার্ভের সমস্যা যাকে Peripheral Neuropathy.....
বিস্তারিত

কেমন হবে মাহে রমজানের খাবার ব্যাবস্থাপনা

পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন,পুষ্টি কর্মকর্তা
মাহে রমজানে বিশ্বের সকল দেশের মুসলিমগন হরেক রকমের খাওয়া দাওয়ার আয়োজন করে থাকেন। কিন্তু আমাদের ভোজন রসিক বাঙালির খাওয়া দাওয়ার পারদ টা....
বিস্তারিত

রমজান মাসের স্বাস্থ্য সতর্কতা:

Colorectal Care Dr. Md Ashek Mahmud Ferdaus
রমজান মাস মুসলমানদের একটি পবিত্র মাস। সওয়াবের মাস। এবাদত বন্দেগী ও সংযমের মাস। এ মাস আল্লাহ পাকের রহমত ও বরকতের মাস। রোযা আমাদের প্রতিটি কাজে সংযমের শিক্ষা দেয়।......
বিস্তারিত

দাম্পত্য জীবন সুখি করবেন কিভাবে??

জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট
বর্তমানে প্রাকটিসে প্রায় দম্পতিরা সমস্যা নিয়ে আসেন। কোন সময় একজন এসে তার সঙ্গীর সমস্যা বলতে থাকেন। আবার কখনো দুজনই একসাথে আসেন।.....
বিস্তারিত

খালিপেটে নাকি ভরাপেটে খাবেন ঔষধ!!

ডা. মুহম্মদ মুহিদুল ইসলাম,সায়েন্টিফিক অফিসার
আজকাল অনেক চিকিৎসক ই আছেন রোগী কে সুন্দর করে প্রেস্ক্রিপশন বুঝিয়ে বলে দেন।এতে রোগী যেমন রোগ সম্পর্কে সচেতন হয় তেমনি ঔষধ গুলো বুঝে নিলে চিকিৎসক এর নির্দেশনা মেনে খেতে পারে।....
বিস্তারিত

শিশুর অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহনের কুফল

নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী,
ইদানীং শিশুদের কে চাহিদার অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহন করতে দেখা যাচ্ছে। যার ফলে শিশু নানা রকম স্বাস্থ্য ঝুকিতে পড়ে যাচ্ছে যা মারাত্মক আকার ধারন করার আগেই আমাদের সচেতন হওয়া প্রয়োজন।....
বিস্তারিত

ডালিম বা বেদানায় কতখানি আয়রন?


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট

হৃদরোগের ঝুঁকি কমিয়ে সুরক্ষিত থাকুন


পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু,নিউট্রিশনিস্ট

স্মার্টফোনে আসক্তি কমাতে করণীয়


ডা: অনির্বাণ মোদক পূজন,হৃদরোগ, বাতজ্বর ও উচ্চ রক্তচাপ রোগ বিশেষজ্ঞ

মাউথ আলসার কি? কেন হয়?


ডা: এস.এম.ছাদিক,ওরাল এন্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারী

এনোমালি স্ক্যান (Anomaly Scan) কি এবং এই স্ক্যান করার প্রয়োজনীয়তা কতটুকু?


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা) ,Consultant Sonologist

বাধাকপি


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন,পুষ্টি কর্মকর্তা

ডিপ্রেশন একটা মানসিক রোগ


জিয়ানুর কবির,ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিষ্ট

Stop bullying plz - ফেসবুকে বাজে কমেন্টস এবং বাস্তব জীবনে মানুষকে হেয় করে গাল-মন্দ করা বন্ধ করুন


নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী,Bsc (Hon's) Msc (food & Nutrition)

অকাল গর্ভপাতের ৬ কারণ


ডাঃ হাসনা হোসেন আখী,এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএস (অবস এন্ড গাইনী)

সুস্থতায় নিয়মানুবর্তিতা: যেসব নিয়ম মেনে চললে দীর্ঘদিন সুস্থ থাকা যায়


পুষ্টিবিদ মুনিয়া মৌরিন মুমু

বাচ্চার আদর্শ খাদ্যাভ্যাস গড়ে তুলতে যা করা উচিত এবং যা করা উচিত নয়


নিউট্রিশনিস্ট সুমাইয়া সিরাজী,Bsc (Hon's) Msc (food & Nutrition)

সুপারবাগ: মানবজাতির জন্য কতটা ভয়ংকর?


ডাঃ গুলজার হোসেন ,বিশেষজ্ঞ হেমাটোলজিস্ট

আত্মহত্যা প্রতিরোধে আমাদের যা করা উচিত


ডা. ফাতেমা জোহরা , মনোরোগ, যৌনরোগ ও মাদকাসক্তি নিরাময় বিশেষজ্ঞ

গর্ভধারণ এবং স্তন ক্যান্সার পর্ব ১


ডাঃ লায়লা শিরিন,অধ্যাপক, ক্যান্সার সার্জারী, জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট ও হাসপাতাল।

ইউরিক এসিড জনিত সমস্যায় কি করণীয় জেনে নিন


ডা: অনির্বাণ মোদক পূজন,হৃদরোগ, বাতজ্বর ও উচ্চ রক্তচাপ রোগ বিশেষজ্ঞ

হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism)- গর্ভবতী মা ও অনাগত শিশুর উপর এর প্রভাব


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা) ,,Consultant Sonologist

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কিভাবে বাড়াবেন?


পুষ্টিবিদ মোঃ ইকবাল হোসেন

ফিটাল প্রেজেন্টেশন ও নরমাল ডেলিভারি।


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা)

করোনাভাইরাস প্রতিরোধে স্বাস্থ্যসম্মত বৈজ্ঞানিক ও যৌক্তিকভাবে যা করণীয়


ডাঃ হাসনা হোসেন আখী

বজ্রপাত থেকে রক্ষা পেতে করণীয়


Royalbangla desk

পরিবারের / খুব কাছের মানুষ ক্যান্সার আক্রান্ত? কি করবেন? পর্ব ৩


ডাঃ লায়লা শিরিন

পাইলস কি ? কখন অপারেশন করাতে হয় ? কিভাবে ভাল থাকা যায়?


ডাঃ মোঃ মাজেদুল ইসলাম

কোষ্ঠকাঠিন্যঃ আছে সহজ সমাধান।


ডাঃ স্বদেশ বর্মণ

নরমাল ডেলিভারি না সিজার করাবেন?


ডাঃ সরওয়াত আফরিনা আক্তার (রুমা)